shishuprokash.com


রাঙ্গামাটিতে ম্যালেরিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ

E-mail Print PDF

শিশু প্রকাশ (রাঙ্গামাটি): রাঙ্গামামাটিতে ম্যালেরিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। বিশেষ করে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শিশুরাই বেশী ঝূঁিকপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দেশের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উচ্চ ঝূঁিকপূর্ণর্ অঞ্চল। রাঙ্গামাটিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় ম্যালেরিয়া রোগে অনেক শিশু আক্রান্ত হচ্ছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়ার প্রাদর্ুভাব।

বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় ও পাহাড়ী ঢলে কাদা ময়লায় হ্রদের পানিও দূষিত হয়ে পড়েছে। আর হ্রদের এ পানি পান করা সহ নিত্য ব্যবহার্য কাজে ব্যবহার করায় শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। অপরদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি পরিশোধন করে শহর বাসীর মাঝে সরবরাহ করা হলেও তা খাওয়ার জন্য মোটেও উপযোগী নয়। এ পানি ফুটিয়ে পান করার পরামর্শ দেয়া হলেও তা মানা হয় না। ফলে এ পানি খেয়েও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে হয়েছে অনেককে।

অতি বৃষ্টি ও সীমান্ত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে কাপ্তাই হ্রদ কচুরী পানার স্তুপে পরিপূর্ণর্ হয়ে উঠে। কচুরী পানার জঞ্জাল থেকে মশার বিস্তার ঘটায় ঘরে ঘরে ম্যালেরিয়ার প্রাদর্ুভার ঘটেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শহরের হাসপাতাল ও ডাক্তারের চেম্বারে এখন ম্যালেরিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে কোন সিট খালি নেই। শহর এলাকার চাইতে উপজেলার বিভিন্ন পাড়াতে ম্যালেরিয়া আর ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

পার্বত্য এলাকায় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ও এনজিও সংস্থার যৌথ উদ্যোগে নানাবিধ কার্যক্রম চললেও দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছেনা। প্রতি ঘরে ঘরে মশা নাশক মশারী বিতরণের কথা থাকলেও অনেকে এই কার্যক্রমের বাইরে রয়ে গেছে বলে স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

তাদের মতে প্রতি বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য প্রত্যন্ত এলাকায় ম্যালেরিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিলেও আক্রান্তদের জন্য বিশেষ কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা নেয়া হয়না। রোগের প্রকোপ দেখা দেয়ার সাথে সাথে যদি পাহাড়ী গ্রামে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া যেতো তাহলে হত দরিদ্র মানুষ উপকার পেতো। কিন্তু মানুষকে এখন বাধ্য হয়ে গ্রাম্য ডাক্তার কিংবা বৈদ্য'র কাছে গিয়ে শরণাপন্ন হতে হচ্ছে। এতে হীতে বিপরীত হচ্ছে।

শিশু প্রকাশের সাংবাদিক প্লেটো চাকমা, কিশোর কুমার দাশ, পিংকী চাকমা, সুজিত চাকমা, জয়া চাকমা, অনন্ত চাকমা, কেমি চাকমা, রিমা দাশ, নিতীশ চাকমা ও কর্ণিয়া দেওয়ান রির্পোটটি তৈরী করেছে।

 

 


blog comments powered by Disqus
 


Content View Hits : 3308084
AddThis Social Bookmark Button

.