শিশু প্রকাশ, নড়াইল- ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে লোহাগড়া উপজেলার ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন-২০১২ গতকাল রবিবার শেষ হয়েছে। নিজ হাতে লেখা পোস্টার আর ব্যানারে ভরে ছিল প্রতিটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গন। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব,গণতান্ত্রিক মনোভাব তৈরী ও বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণে আগ্রহী করার লক্ষ্যে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কাউন্সিল নির্বাচন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিরতীহীন ভাবে শেষ হয়। সারিবদ্ধ লাইন, প্রিজাইডিং ও পলিং এজেন্টদের আসন, সীলগালাকৃত ব্যালট বাঙ্, বুধঘর, সুতলী, গাছের ডাল দিয়ে ইনক্লোজার সীমানা তৈরী করে এ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। লোহাগড়া মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও স্বাধিনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি নড়াইল জেলার সভাপতি ডাঃ মনোয়ার হোসেন তাপস জানান, আমাদের ক্ষুদে শিক্ষাথর্ীদের এই নির্বাচন থেকে স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক কিছু শেখার আছে। বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে ২জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ২জন ও পঞ্চম শ্রেণি থেকে ৩জন সদস্য সরাসরি ভোটে এবং এদের মধ্যে থেকে ১জন সদস্য চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। আরএলপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ও প্রার্থী মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানায়, এ নির্বাচনে সে কোন ভোটারকে আপ্যায়ন করছে না বা অভিভাবকদ্বারা ভোট চাচ্ছেন না। এ পর্যন্ত তার সর্ব সাকুল্যে খরচ হয়েছে ৩৯টাকা। মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধি ভোটার শিপ্রারা সরকার জানান, সকাল ৯টার আগেই বিভিন্ন প্রার্থীরা হুইল চেয়ারসহ আমাকে ঘাড়ে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। কচুবাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ও প্রার্থী শুভ্রা দত্ত জানান, আমি নির্বাচিত হলে বিদ্যালয়ের চারপাশে ফুলের বাগান ও গাছ লাগিয়ে পরিচর্যা করবো। কয়েকটি বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা দেছে কাব শিশুরা লাঠি হাতে করে পুলিশের ভুমিকা পালন করছে উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, এই নির্বাচনকে সহযোগিতা করার জন্য শিক্ষা বিভাগের সকল কর্মচারী কর্মকর্তা কেন্দ্র সমূহ পরিদর্শন করেছি এবং কন্ট্রোল রুম হিসেবে উপজেলা শিক্ষা অফিস খোলা রেখেছি। # হাফিজুল করিম নিলু(DOC)








