শিশু প্রকাশ, মাদারীপুর \\ শিশুদের বলতে দাও'এ শ্লোগান কে সমানে রেখে গনমাধ্যমে শিশুদের অংশ গ্রহন বাড়ানোর লক্ষ্যে নিয়ে অসহায় লাঞ্চিত সুবিধা বঞ্চিত অধিকারহীন শিশুদের পক্ষে কলম ধরে আগামী দিনের আলোকিত সমাজ বিনির্মানে নিরন্তর ছুটে চলছে মাদারীপুরের শিশুদের সংবাদ সংস্থা শিশু প্রকাশের ক্ষুদে সাংবাদিকরা।

শিশুদের অধিকার রক্ষায় ক্ষুদে সাংবাদিকরা নিজেদের অভিজ্ঞতা আর অধিকার বঞ্চিত শিশুদের সংবাদ সংগ্রহের দুরন্ত নেশায় ওরা ছুটে বেড়ায় চারদিকে। পারস্পারিক শিখনের মাধ্যমে ওরা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। ক্ষুধা ও দারিদ্য মুক্ত নির্যাতনহীন শিক্ষার ব্যবস্থা ও বৈষম্যহীন শোষন মুক্ত সমাজের দাবীতে নিপীড়িত অসহায় লাঞ্চিত বঞ্চিত শিশুদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় শিশু সাংবাদিকের সাহসী লেখনি ইতিমধ্যে সর্বমহলে আলোচনা চলছে।
খোজখবর নিয়ে জানা যায়, শিশুদের বলতে দাও' এ মূল মন্ত্রকে বুকে ধারন করে শিশুদের মৌলিক অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে পাশে থেকে বৈষম্যহীন নির্যাতন মুক্ত শিশুবান্ধব পরিবেশ গঠনের প্রত্যয়ে শিশুদের মুখপত্র হিসাবে ২০০৫ সালে অন্যান্য জেলার ন্যায় মাদারীপুরে শিশুদের সংবাদ সংস্থা শিশু প্রকাশের আত্ম প্রকাশ ঘটে। দাতা সংস্থা ইউনিসেফ ও গনমাধ্যম বিষয়ক স্বেচ্ছা সেবী সংগঠন ম্যাস্-লাইন মিডিয়া সেন্টার (এম এম সি)'র যৌথ উদ্দ্যোগে বিগত ২০০৫ সালে ৬৪ টি জেলায় দেশের একমাত্র শিশুদের সংবাদ সংস্থা হিসাবে শিশু প্রকাশের যাত্রা শুরু করে। প্রতিটি জেলায় একজন সিনিয়র সংবাদিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সংবাদ সংস্থাটির রয়েছে ৫ জন ছেলে এবং ৫ জন মেয়ে শিশু। মোট ১০ জন শিশুর সমন্বয়ে গঠিত হয় শিশু প্রকাশের টিম। দেশের অন্যান্য জেলার ধারাবাহিকতায় মাদারীপুরেও গঠিত হয় শিশু প্রকাশ টিম। এ টিমের লক্ষ্য হচ্ছে এমন এক সমাজ বিনির্মানে যেখানে শিশুরা পাবে তাদের ন্যায্য সকল অধিকার। বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকবে অন্তর্নিহিত সকল সম্ভাবনার। এ লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হচ্ছে কলম আর প্রয়োগিক ক্ষেত্র হচ্ছে সংবাদ পত্র। অধিকার আদায়ে এ এক অন্যরকম লড়াই।
জানা যায়, একটি প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ১৩ থেকে ১৮ বছরের নীচের শিশুদের সাংবাদিক হিসাবে নিয়োগ করা হয়। প্রথমে স্থানীয় সংবাদপত্র বা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবরে শিশু সাংবাদিক নিয়োগের বিজ্ঞাপন বা আবেদন পত্র পাঠানো হয়। পরে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিশু প্রকাশের সদস্য হিসাবে অর্ন্তভূক্তির পর এই শিশুদের গড়ে তোলার দায়িত্ব ও শিশু প্রকাশ পালন করে থাকে। এ জন্য রয়েছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন। শুরুতেই দেয়া হয় সাংবাদিকতার মৌলিক প্রশিক্ষন। এতে হাতে কলমে নীতি ও আদর্শের আলোকে সাংবাদিকতার লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি শিশু অধিকারের বিষয়ে পুরো ধারনা দেয়া হয়। রয়েছে ফিচারের উপর উচ্চতর প্রশিক্ষন। বাদ যায়না আধুনিক প্রযুক্তিগত দক্ষতায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টাও। ইতোমধ্যে মাদারীপুর শিশু প্রকাশ টিমের জন্য একটি টেপরেকর্ডার একটি ডিজিটাল ক্যামেরা, একটি কম্পিউটার দেয়া হয়েছে। এ গুলো সঠিক ব্যবহারের জন্য শিশুদের কম্পিউটাও ক্যামেরা চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষন শেষে শিশু সাংবাদিক দলকে সরোজমনি মাঠে পাঠানো হয়। নিজেদের প্রশিক্ষন লব্ধ অভিজ্ঞতা আর সংবাদ খোজার দুরন্ত নেশায় ওরা ছুটে বেড়ায় জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।
নিজেদের পড়া লেখা ঠিক রেখে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শিশু সাংবাদিকরা দলীয় ও ব্যক্তিগত রির্পোট তৈরী করে। প্রশিক্ষন লব্দ জ্ঞান আর টিমলিডারের সার্বক্ষনিক তত্ত্বাবধানের ওরা প্রতি দুই মাস অন্তর শিশু বিষয়ে ইসুভিত্তিক দলীয় ভাবে একটি ব্যক্তিগত রিপোর্ট ও তিন মাস অন্তর একটি ব্যক্তিগত রিপোর্ট তৈরী করে। যা পরবর্তীতে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয় শিশু প্রকাশের ক্রেডিট সহ। মাদারীপুর শিশু প্রকাশের ক্ষুদে সাংবাদিকরা শুরু থেকেই শিশুদের উপর একের পর এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট করে সহসাই জেলা বাসীর নজরে আসে। শিশুর অধিকার মানবাধিকার বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা, অসঙ্গতি, দূর্গতি, ভোগান্তি, নির্যাতন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি সহ একাধিক বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রসাশনের টনক নড়ে। শিশু সাংবাদিকদের রিপোর্টের ফলে জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরীক ও মানষিক শাস্তি বন্ধ হয়েছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য মাদারীপুর শহরে শিশু পার্ক নির্মানের দাবী আজ জোরালো হচ্ছে।
গত ১০ নভেম্বর দৈনিক ভোরের কাগজ ও স্থানীয় দৈনিক বিশ্লেষন পত্রিকায় মাদারীপুরে সচেতন অভিভাবকের অভাবে ঝরে পড়ছে প্রাথমিক স্তরের শিশুরা শিরোনামে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে তোলপাড় শুরু হয়। শিক্ষা প্রসাশনের সাথে জড়িত কর্তাব্যক্তিরা শিশুদের রিপোর্টের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে কার্যকারী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছে। এর আগে 'মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ উপেক্ষিত বিদ্যালয় গামী শিক্ষার্থীদের উপর শাস্তি ও নির্যাতন থামাছেনা' শিরোনামে স্থানীয় দৈনিক বিশ্লেষন, জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ ও দৈনিক সংবাদে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হলে সারা জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তে সংবাদের সত্যতা পায়। এবং শিক্ষার্থাদের শাস্তির সাথে জড়িত শিক্ষককে তাৎক্ষনিক বরখাস্ত ও অন্যদের শো'কজ করে। এ রিপোর্টের কারনে এখন ছাত্র-ছাত্রীদের উপর শারিরীক ও মানুষিক নিপীড়ন বন্ধ রয়েছে।
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনোদনের খেলার মাঠ না থাকার বিষয়ে শিশুপ্রকাশের সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় প্রসাশন অনেকটা তৎপর হয়ে উঠেছে। শিশু সাংবাদিকদের রিপোর্টের ফলে মাদারীপুর শহরে শিশুপার্ক স্থাপনের দাবী আজ সর্বমহলে জোরদার হয়েছে। অনু প্রবেশের দায়ে আটক ভারতীয়
শিশু রনি শর্মার ১৫ দিনের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ মাসেও মুক্তি পাচ্ছিলনা। এ সময় মাদারীপুর শিশু প্রকাশের ক্ষুদে সাংবাদিকদের একাধিক অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশের পর তৎকালিন আইজি প্রিজন, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের তৎপরতায় অবশেষে শিশু রনি শর্মা মুক্তি পায়।
জেলার প্রত্যন্ত জনপদ লক্ষ্মীপুরের শিশুরা শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না মর্মে জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হলে জেলা প্রসাশন অত্র অঞ্চলে প্রথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে।
'মাদারীপুরের অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভাসমান খাবার দোকান শিশু স্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে' শিরোনামে স্থানীয় দৈনিক বিশ্লেষন পত্রিকায় শিশু প্রকাশের ক্ষুদে সাংবাদিকদের সরোজমিন সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হলে জেলা প্রশাসনের তোলপাড় শুরু হয়। সাথে সাথে জেলার সকল বিদ্যালয়ে চিঠি দিয়ে ভাসমান দোকান উচ্ছেদের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। সেই সাথে কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আর্থিক জরিমানা করা হয়। শিশু সাংবাদিকের সরল উপস্থাপনা আর বিষয় বৈচিত্র্যর কারনে প্রকাশিত প্রতিটি রিপোর্ট সহজেই নজর কাড়ে কতর্ৃপক্ষের। যে কারনে শিশু প্রকাশের সংবাদ প্রকাশ মাত্র হই চই পড়ে যায়। এবং সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষনিক সাধ্যমত ব্যবস্থা নেয়ার নজিরও স্থাপিত হয়েছে। মাদারীপুর শিশু প্রকাশের শিশু সাংবাদিকদের রিপোর্টের কারনে ঝড়ে পড়া শিশুরা স্কুলগামী হচ্ছে। এছাড়াও শিশু সাংবাদিকরা মাদারীপুরে আর্সেনিক আক্রান্ত শিশু, পথ শিশুদের সমস্যা সম্ভাবনা, টোকাই শিশুদের অপরাধের সাথে জড়ানোর অনুসন্ধানী রিপোর্ট, শিশুদের মাদাকাসক্ত হওয়ার নেপথ্য কারন, ঝুকিপূর্ন পরিবহনে শিশু শ্রমিক নিয়োগ সহ বহু ইসু্যভিত্তিক সমস্যা তাদের অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে। যা সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। এসব শিশু সাংবাদিকরা কেবল মাত্র তাদের মৌলিক আধিকার সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেনা বরং অন্যান্য বঞ্চিত অবহেলিত অনগ্রসর শিশুদের অধিকার রক্ষায় তাদের মুখপত্র হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত ঃ শিশু সাংবাদিকরা প্রত্যেক শুক্রবার স্থানীয় প্রেসক্লাবে টিম লিডারের সমন্বয়ে পরবর্তী করনীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বিভিন্ন ইসু্য নির্বাচন করে। পরে প্রত্যেকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রশিক্ষন লব্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে সংবাদের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে পরবর্তী সভায় দলীয় ভাবে রিপোর্ট তৈরী করে তা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রেরন করে। শিশু সাংবাদিকরা তাদের অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য সম্প্রতি প্রথম আলোর অকাল প্রয়াত জেলা প্রতিনিধি মঈনুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার লাভ করে। খোজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুরের এসব শিশু সাংবাদিকরা কেবল মাত্র সংবাদ সংগ্রহ ও লেখা লেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তারা বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মিছিল সমাবেশ, মানব বন্ধন, র্যালী, প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করে থাকে। শরীয়তপুরের শিশু অন্তরা অপহরনের পর তারা মানব বন্ধন করে প্রধান মন্ত্রীর বরাবরে স্মারক লিপি দিয়েছে। ইভটিজিং বিরোধী র্যালী ও সমাবেশ করে তারা স্থানীয়দের প্রসংশা কুড়িয়েছে। শিশু সাংবাদিকদের তৎপরতার কারনে জেলায় বেশ কয়েকটি বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। এদিকে সময়োপযোগী প্রশিক্ষক এসব শিশু সাংবাদিকদের গড়ে তুলছে দক্ষ মানব সম্পদে। প্রশিক্ষক এবং প্রদত্ত যন্ত্রপাতির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে শিশুরা সাংবাদিকতার পেশাগত মানে যেমন দক্ষ হয়ে উঠছে তেমনি শৈশব অতিক্রান্ত হওয়ার পর অনেক দরিদ্র শিশুর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে। শিশু প্রকাশের সাবেক সাংবাদিক সাগর হোসেন তামিম ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত। অপর শিশু সাংবাদিক সজিব ফরাজি দৈনিক সংবাদের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছে। সাবেক শিশু সাংবাদিক রুদ্র সাইফুল ঢাকার বড় বড় কাগজে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসাবে কাজ করছে। শিশু সাংবাদিক মেহেদি হাসান শামীম জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় কলাম লিখছে। শিশু প্রকাশের সদস্য আলআমিন শিশু প্রকাশের কম্পিউটারে কাজ করতে করতে দক্ষ হয়ে উঠছে। বর্তমান পড়া লেখার পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুলে বাড়তি পয়সা রোজগার করছে। শিশু সাংবাদিক সুস্মিতা, নিপু, মুরাদ নির্জনা, সাদ্দাম জানায় আগে আমরা কম্পিউটার কি জানতাম না। শিশু প্রকাশের সাথে যুক্ত হয়ে আমরা কম্পিউটার, ইন্টারনেটে কাজ করতে পারি। আগে অধিকার সম্পর্কে আমাদের কোন ধারনা ছিলনা তবে আমরা এখন অনেকটা সচেতন।
শিশু প্রকাশের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে সোনিয়া, সজিব, আল-আমিনের মতো আরো অনেক শিশু সাংবাদিক পেয়েছে আলোর ঠিকানা। সমবয়েসিরা যেখানে অভিভাবকদের কাছে যেতেই ভয় পায় সেখানে শিশু সাংবাদিকদের কাছেই আসে পরিচিত জনরা তাদের সমস্যা-সম্ভাবনার কথা পত্রিকার পাতায় তুলে ধরতে। এ তালিকায় বাদ যায়না জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রসাশনের লোকেরাও। এই শিশু সাংবাদিকরা শুধু আলোকিত সমাজ বিনির্মানের লক্ষ্যেই কাজ করেনা বরং নিজেরাও আলোকিত হয় জীবন দক্ষতায়।
প্রতিবেদনটি তৈরী করেছে মাদারীপুর শিশু প্রকাশের সাংবাদিক সজীব, মুরাদ, শারমিন, আল-আমিন, সোনিয়া, নিপু, নির্জনা, আল-আমিন হাওলাদার, সুস্মিতা হালদার, সাদ্দাম।
তারিখ ঃ ১৬/১১/২০১১








