কিশোরগঞ্জের ভৈরব অন্তত ২০ হাজার লোক পাদুকা শিল্পের সাথে জড়িত। আর এই সাথেই ভৈরবে পাদুকা শিল্পের প্রসার দিনদিন বেড়ে চলেছে। এই শিল্পের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে শ্রমিকের সংখ্যাও। এই শিল্পের জড়িত তাদের মধ্যে একটা বিশাল অংশ জুড়ে আছে শিশু শ্রমিক। শিশুদের পক্ষে এই কাজটি ঝুকিপূর্ণ হলেও নানা কারণে অনেকে বেছে নিয়েছে এই কাজ। কিন্তু এই কাজ করতে গিয়ে অনেক শিশু নানা রকম প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছে কিন্তু তার পরেও শিশুরা এই কাজের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। ভৈরবে হাজী জুতার মার্কেট কাজ করে এ রকম বেশ কজনের সাথে কথা বলে জানা যায় যার মধ্যে সফিক, রতন, মোবারক যাদের বয়স ১০-১২ বছর। এই বয়সে কাজ করে কেন? প্রশ্নকরলে তারা জবাবে জানালো, কাজ না করলে খামুকী? কিন্তু এই কাজতো ঝুকিপূর্ণ? এমন প্রশ্নেরজাবাবে তারা বললো যতবেশি ঝুকি তত বেশি টাকা। পড়ালেখার কথা বললে পড়লেখা দিয়া কি হইবো? আমরার লাই¹া পড়ালেখা না। পড়ালেখা করবো বড় লোকের সন্তানেরা জুতার কারখানার মালিকরা জানায় আমরা চাইলেও তাদেরকে বাদ দিতে পারি না। যারা কাজ করে তাদের অনেকেরই বাবা-মা নাই এবং তারা নিতান্তই গরীব এতিম অসহায়। ফলে সংসারের হাল ধরতে পরিবারের অনেকেই তাদের এই কাজে দিয়ে যায়। জুতার কাজে দিয়েছে এমন কয়েকজন অভিভাকদের সাথে কথা হলে তারা জানান কোন বাবা মা চায় না শিশুরা এই বয়সে কাজ করুক। কিন্তু তাদের কোন উপায় নেই। কাজ না করলে না খাইয়া থাকতে হইবো। বাচনের লাই¹া মনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের এই কাজে দিতে হইছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের অভিমত শিশুদের ঝুকিপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে আনতে না পারলে তাদের সৃজনশীলতা শিশু বয়সেই নষ্ট হয়ে যাবে। আর দেশের বিরাট এইটি অংশ অশিক্ষিত রয়ে যাবে। ফারজানা সগীর সুপ্তি শিশু সাংবাদিক কিশোরগঞ্জ ইউনিট








